বিগত দিনের ঈদগুলো কিভাবে কাটিয়েছে তা চিন্তা করতে গিয়ে নিচের ঘটনাগুলো স্মৃতিপটে ভেসে উঠলো।

এক, ছোটবেলায় পরীক্ষার পর ঈদ থাকলে পড়াশোনার চাপে ঈদ ভালো মতো করা হতো না। উদের দিনং টেনশন কাজ করতো কিংনা পড়তে হতো।

দুই. এক ঈদে রাস্তা দিয়ে দৌড়ে আসার সময় এই কলের সঙ্গে এক্সিডেন্ট করে ঠোঁট কাটলান। ফলে হাসপাতালে গিয়ে সেলাই নিতে হলো। নিজের ঈস পণ্ড করার সঙ্গে সঙ্গে অন্যদেরও টেনশনে
এন. কোনো কোনো বছর বোজার ঈদ ঢাকায় করতাম এবং কোরবানির ঈদ সপরিবারে গ্রামের বাড়িতে করতাম। কিন্তু ঢাকাতে করতেই মন বেশি সাইতো। কারণ বন্ধুরা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজনরা ঢাকায় থাকতো। তারপরও দাদা-দাদি ও অন্য ওবায়স্বজনদের জন্য দেশে যেতে হতো।

ঈদের দিন ২নজরের পর থেকেই মাইকিং শুরু হতো যে, আটটা বা সাড়ে আটটায় ঈদের জামাত শুরু হবে। অথচ আমরা নিশ্চিত জানতাম যে, দশটা নাড়ে দশটার আগে জামাত শুরু হবে না। তাই ধামরাও সেভাবে আস্তে-ধীরে ঈদগাহের দিকে তার, এক ঈদের দিন ঈদের বৃষ্টির মধ্যে ভিজে গজে নামাজ পড়লাম। সেও এক অন্য রকম ৭.চ. একবার এক আত্মীয়কে দেখলাম ঈদের নামাজ নিজ মহল্লায় নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে পারেননি। 'তখন অনেক ঘুরে কোথায় দেরিতে হয়ে জামাত সেখানে নামাজ পড়ে আসার গল্প শুনতাম ২০. এসএসসি পরীক্ষার পর যেই বোজার মাস তিল ৩। নানার তবলীগে পাঠানোর বদৌলতে আল্লাহর বস্তায় কাটালাম। অন্য রকম অভিজ্ঞতা।

সাত, বড় হওয়ার পর সাধারণত দিগুলোসত বাবা মায়ের সঙ্গে নামাজ পড়ে বের হতাম এবং মুরুবি শ্রেণীর যেসব আত্মীয়স্বজন রয়েছেন তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বের হতাম। সারা বছরে বাসের সঙ্গে দুই একবার দেখা হয় তাদের সঙ্গে এবয় কাটিয়ে দিনটা ভালোই পার হতো।
আট, কিছু কিছু ঈদে আত্মীয়স্বজনদের অতিথিও গতে হয়েছে।
নয়, কিছু কিছু ঈদ কানিতেই কোনো কাজ না করে ঘরে দাস বই পড়ে কিংবা শুয়ে-বাস


চিন্তা করতে গিয়ে নিচের ঘটনাগুলো স্মৃতিপটে ভেসে উঠলো।
এক, ছোটবেলায় পরীক্ষার পর ঈদ থাকলে পড়াশোনার চাপে ঈদ ভালো মতো করা হতো না। উদের দিনং টেনশন কাজ করতো কিংনা পড়তে হতো।
দুই. এক ঈদে রাস্তা দিয়ে দৌড়ে আসার সময় এই কলের সঙ্গে এক্সিডেন্ট করে ঠোঁট কাটলান। ফলে হাসপাতালে গিয়ে সেলাই নিতে হলো। নিজের ঈস পণ্ড করার সঙ্গে সঙ্গে অন্যদেরও টেনশনে
এন. কোনো কোনো বছর বোজার ঈদ ঢাকায় করতাম এবং কোরবানির ঈদ সপরিবারে গ্রামের বাড়িতে করতাম। কিন্তু ঢাকাতে করতেই মন বেশি সাইতো। কারণ বন্ধুরা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজনরা ঢাকায় থাকতো। তারপরও দাদা-দাদি ও অন্য ওবায়স্বজনদের জন্য দেশে যেতে হতো।
ঈদের দিন ২নজরের পর থেকেই মাইকিং শুরু হতো যে, আটটা বা সাড়ে আটটায় ঈদের জামাত শুরু হবে। অথচ আমরা নিশ্চিত জানতাম যে, দশটা নাড়ে দশটার আগে জামাত শুরু হবে না। তাই ধামরাও সেভাবে আস্তে-ধীরে ঈদগাহের দিকে তার, এক ঈদের দিন ঈদের বৃষ্টির মধ্যে ভিজে গজে নামাজ পড়লাম। সেও এক অন্য রকম ৭.চ. একবার এক আত্মীয়কে দেখলাম ঈদের নামাজ নিজ মহল্লায় নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে পারেননি। 'তখন অনেক ঘুরে কোথায় দেরিতে হয়ে জামাত সেখানে নামাজ পড়ে আসার গল্প শুনতাম ২০. এসএসসি পরীক্ষার পর যেই বোজার মাস তিল ৩। নানার তবলীগে পাঠানোর বদৌলতে আল্লাহর বস্তায় কাটালাম। অন্য রকম অভিজ্ঞতা।
সাত, বড় হওয়ার পর সাধারণত দিগুলোসত বাবা মায়ের সঙ্গে নামাজ পড়ে বের হতাম এবং মুরুবি শ্রেণীর যেসব আত্মীয়স্বজন রয়েছেন তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বের হতাম। সারা বছরে বাসের সঙ্গে দুই একবার দেখা হয় তাদের সঙ্গে এবয় কাটিয়ে দিনটা ভালোই পার হতো।
আট, কিছু কিছু ঈদে আত্মীয়স্বজনদের অতিথিও গতে হয়েছে।

নয়, কিছু কিছু ঈদ কানিতেই কোনো কাজ না করে ঘরে দাস বই পড়ে কিংবা শুয়ে-বাস
পড়ার পর পরই কবরস্থান জিয়ারতে যেতে। যেসব প্রয়াত আত্মীয়স্বজন রয়েছেন তাদের কবরে ঈদের দিনে গিয়ে দোয়া-দরুদ পড়েও অন্য রকম আনন্দ ও তৃপ্তি মিলে। বনানীর কবরস্তানে তো রীতিমতো মানুষের মিলনমেলা হয়ে যায় এবং এতো লোকজন তাদের পরলোকগত আত্মীয়দের স্মরণ করে এভাবে আসে দেখে এক অন্য রকম ভাব জাগে মনে।

এগারো, কোরবানির ঈদে কোরবানির গরু কিনে আনাটাই সবচেয়ে বড় আনন্দ মনে হয়। তাও ইদানীং কয়েক বছর বেশ সাফল্যের সঙ্গেই অন্যদের ঈর্ষা জাগিয়ে কোরবানির পশু কিনেছি জেতা দামে। দুই একবার জবাইও করেছি জামা-কাপড় রক্তে রঞ্জিত করে।

বারো, এক ঈদের তিন দিন পর এক যুবা বয়স্ক আত্মীয় মারা গেল। তারই কয়েকদিন পর এক খালু।, এ কারণে সেই ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়। তেরো, একবারের ঈদে বিশেষ সংখ্যায় লেখা বের হলো। সে বছর পেয়েছি এডভান্স ঈদের আনন্দ!

চোদ্দ, এক রোজাতে মিয়া-বিবি দুজনেই ছিলাম আল্লাহর রাস্তার সফরে। মহিলারা বাসায় থাকতেন। ঈদের পরদিন ঢাকায় কোনো এক বাসায় ওঠার কথা। কোনো বাসা নির্দিষ্ট না থাকায় নিজের শ্বশুরবাড়ির মহল্লাতেই জামাত নিয়ে উঠলাম। স্ত্রী ও মহিলারা শ্বশুরবাড়িতে। সেটাতেও ডাবল ঈদ।

এসব চিন্তা করে দেখলাম ঈদ সম্বন্ধে আসলে আমরা যা কল্পনা করি সেটা তারচেয়েও বেশি বৈচিত্রময়, রোমাঞ্চকর এবং আনন্দে পরিপূর্ণ। যদিও জীবনের ঘটনাপ্রবাহে অনিবার্যভাবে, বেদনাদায়ক অনেক ঘটনা ঘটে ঈদের দিনে তবুও ঈদ ঈদই এবং সব সময়ই সবার জন্য আনন্দের বার্তাবাহী। সবার জীবনে ঈদের অনাবিল সীমাহীন আনন্দের আবির্ভাব সর্বদা ঘটুক এই কামনায় শেষ করছি।

পনেরো, সর্বশেষ যেই ঈদটি কাটিয়েছি এবং যার বর্ণনার ওপরেই একটা লেখা হতে পারতো তার কথাই ভুলে গিয়েছিলাম। আশ্চর্যজনক ও অবিশ্বাস্যভাবে এবার হজের সফরে গিয়েছিলাম না ছিল আশাতীত এবং অভাবনীয়। আরবের বুকে ঈদুল আজহাসহ যেই এক মাস সময় কাটিয়েছি তার বর্ণনা কলেবরে অত্যন্ত বড় হবে এবং তার সত্যিকার অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা একান্ত অসম্ভব।
গিয়েছেন তারাই বুঝতে পারবেন এস আনন্দ
অভিজ্ঞতার ব্যাপকতা কতোটুকু। বিশ্বপ্রনীন প্রখ
সমগ্র মানব জাতি-গোষ্ঠির লোকে। অমরে
পারা পরম সৌভাগ্যের বিষয়। আয় থেকে নিজস্ব অভিজ্ঞতা এটুকুই যে, মনের একান্ত আকুতি ও আগ্রহ থাকলে তা যে, কারো জন্যেই সম্ভব।
ষোল, ঈদের আরেক আম।
অফিস খুললে দুই একদিন পা।
এবং ফাকা রাস্তায় দ্রুত বাসায় পা
দিন যদিও অনেক অফিসেই পোর
আমাদের ব্যাংকের একটি লংটি।
অনেকেই আসে। কারণ সকলে সঙ্গেই কোলাশাল করেন
বিতরণ কর্মভীবনের আনশয়ার