মসজিদে দুনিয়াবী কথা বলা নিষেধ।
খেলার মাঠে ধর্মালোচনা অল্পই চলে।
সেথায় কেবল নিজ দলের স্বপক্ষে
উল্লাস প্রকাশ
কিংবা চিৎকার
অথবা অপর দলের বিপক্ষে
জোরালো শ্লেষ।
বাজারে চলে বেচাকেনার আলাপ
ইস্কুলে চলে পড়াশুনা।
গভীর রাতে যেই কাজ হয়
যেমন হৃদয়ঘটিত ব্যাপার
কিংবা নামাজ পড়া
অথবা ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা
অথবা নাইটগার্ডের ডিউটি
দিনের বেলায় তা অবর্তমান
কিংবা সীমিত।
দিনের বেলার ব্যবসা-বানিজ্য
কিংবা অফিসের চাকুরি
তার ব্যাপারও তেমনি।
বাবা-মাকে যেই কথা বলা যায়
প্রেয়সীকে তা বলা যায় না,
কিংবা বলার প্রয়োজন হয় না।
শিক্ষকের সাথে ছাত্রদের
লেখাপড়ার কথা চলে,
শিশুদেরকে বড়রা
আধো আধো কথা বলা শেখায়,
বন্ধুদের আড্ডায়
হৈচৈ গাল-গল্প হয়,
এমনি আরো নানান নিয়ম
রয়েছে বিভিন্ন স্থানে,
বিভিন্ন সময়ে,
বিভিন্ন লোকের ক্ষেত্রে।
কিন্তু ভালোবাসা
তার নেই স্থান-কাল-পাত্র
সব স্থানে এবং প্রয়োজনে
সর্বকালে এটি উপযোগী
সকলেই এর মুখাপেক্ষী।
২৬.৫.৯৮
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি লিখুন।